Description
অনেক মহিলার সাধারণ একটি স্বাস্থ্য সমস্যা। স্বাভাবিকভাবে প্রতি ২১–৩৫ দিনে একবার ঋতুস্রাব হয় এবং ৩–৭ দিন স্থায়ী হয়। এর বাইরে হলে তাকে অনিয়মিত বলা হয়।
অনিয়মিত ঋতুস্রাবের সম্ভাব্য কারণসমূহ
1. হরমোনের ভারসাম্যহীনতা – ইস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টেরনের অনিয়ম।
2. পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম (PCOS) – ডিম্বাশয়ে সিস্ট হলে।
3. মানসিক চাপ ও দুশ্চিন্তা – মানসিক সমস্যার প্রভাব মাসিক চক্রে পড়ে।
4. অতিরিক্ত ওজন বা খুব কম ওজন – স্থূলতা বা অপুষ্টি।
5. অতিরিক্ত ব্যায়াম – শরীরের শক্তি ক্ষয় হলে।
6. থাইরয়েড রোগ – হাইপো/হাইপার থাইরয়েডিজম।
7. প্রসব পরবর্তী পরিবর্তন – সন্তান জন্মের পর হরমোন পরিবর্তন।
8. গর্ভনিরোধক ঔষধ বা ইনজেকশন – অনেক সময় চক্রে পরিবর্তন আনে।
9. ডায়াবেটিস বা দীর্ঘমেয়াদি রোগ – দেহের অন্যান্য অসুস্থতা প্রভাব ফেলে।
অনিয়মিত ঋতুস্রাবের ক্ষতিকর প্রভাব
সন্তান ধারণে অসুবিধা বা বন্ধ্যাত্বের ঝুঁকি।
রক্তশূন্যতা (Anemia) হতে পারে।
তীব্র ব্যথা, মাথা ঘোরা, দুর্বলতা ইত্যাদি সমস্যা হয়।
মানসিক অশান্তি ও ক্লান্তি তৈরি করে।
প্রতিকার / করণীয়
✅ নিয়মিত স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন করতে হবে।
প্রতিদিন পর্যাপ্ত ঘুম।
মানসিক চাপ কমানো।
সুষম খাদ্য (সবজি, ফল, দুধ, প্রোটিন, আয়রন)।
ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা।
নিয়মিত হালকা ব্যায়াম।







There are no reviews yet.